নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গ্রাম বাংলার মানুষের চিরায়ত ঐতিহ্য হিসেবে কুয়াশাসিক্ত শীতেই বাঙালির ঘরে ঘরে পিঠা বানানোর ধুম পড়ে যায় আর শহুরে সমাজে সেই ঐতিহ্যের রীতিনীতিকে কিছুটা স্মরণ করিয়ে দিতে শহীদ আব্দুর রব সেরেনিয়াবাত ইন্জিরিয়ারিং কলেজে উদ্যোগে কলেজ মাঠে তিন দিনব্যাপী এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়।
গত ১৪ ডিসেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩ টায় কলেজ প্রাঙ্গণে কলেজের সুযোগ্য অধ্যক্ষ অধ্যাপক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল কাদের বেপারি উক্ত পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে তিনি স্টলসমূহ পরিদর্শন করেন।
তিনদিন ব্যাপী পিঠা উৎসবে ১৩ টি স্টলে ১৫০ ধরনের নানান পিঠার সমাহার নিয়ে হাজির ছিল শিক্ষার্থীরা। স্টলগুলো ঘুরে দেখা গেল বাঙালি ঐতিহ্যের নানা রকম ভাপা, মুকশুলি, মসুর পাকন, চিকেন পুলি,নারিকেল দুধ পুলি, নারিকেল পুলি, গোলাপ ফুল পিঠা, আলুর পাকন পিঠা, বিবিআনা পিঠা, নারিকেল বিস্কুট পিঠা, বো টাই পিঠা, তেল পিঠা, ডিম সুন্দরী পাটিসাপটা, পাটিসাপটা, আনারকলি, দুধসাগর এবং চিতই পিঠার সমাহার।
শহীদ আব্দুর রব সেরেনিয়াবাত ইন্জিরিয়ারিং কলেজের হয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান অনামিকা বলেন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধারণ ও সম্প্রীতির মেলবন্ধনকে অটুট রাখতে আমাদের এ আয়োজন। নগর সংস্কৃতির প্রভাবে হারিয়ে যাওয়া পিঠা নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে মেলার মাধ্যমে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পিঠার দাম ছিলো পিঠা প্রেমীদের নাগালের বাইরে। এ বিষয় পিঠাকুলি স্টলের সামনে এক দর্শনার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান সামির বলেন আসলে পিঠার দাম অনেক বেশি বাইরের তুলনায় দ্বিগুন ।সার্সটেক অথরিটির কাছে আমাদের এটাই বলার পিঠার দাম যেন একটু কম হয়। যার ফলে সবাই খেতে পারবে। আর অনুষ্ঠানের অনান্য দিক গুলো খুবই ভালো। দাম বৃদ্ধির বিষয়টি বুঝিয়ে বলেন পিঠাঘরের পরিচালক তানভির হাসান,তিনি বলেন আসলে বাজরে সব কিছুর দাম অনেক বেশি। আর এই সব পিঠা আমরা শিক্ষার্থী তৈরি করি এবং সেটা খুব পরিস্কার পরিছন্নতার মাধ্যমে। এছাড়াও বাঙালির এই ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য এই সাত বছর পিঠা উৎসবের আয়োজন করে আসছে সার্সটেক যার সকল খরচ আমরা শিক্ষার্থীরা দিয়ে থাকি স্টল থেকে যে লাভ হয় এই সকল টাকা এই উৎসবের পিছনে ব্যয় হয় তার জন্য পণ্যের দাম কিছুটা বেশি।
উৎসবটি পুলিশ দ্বারা নিরাপত্তা বেষ্টিত ছিল দায়িত্বরত এসআই আবু রাসেল জানান এখন পর্যন্ত কোন অপীতিকার ঘটনা ঘটেনি। আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবস্থায় আছি।